ক্রাইম রিপোর্টারঃ মো ওমর ফারুক
গাজীপুরে বাউপাড়া বিট অধিনে বাউপাড়া গ্রামের সাথে ২২ নং ওয়ার্ড বাহাদুরপুর এর শেষ প্রান্ত বাউপাড়া মৌজার আর এস দাগ ১৪৯২ তারা মিয়ার বাড়ি নামে পরিচিত এখানে সরকারি বন বিভাগের ১৫ শতাংশ জমি যার বর্তমান বাজার মূল্য ৩০ লক্ষ টাকা জবর দখল করে একটি বিশাল মুরগির ফ্রাম করা হয়েছে।
এই ঘর টি তৎকালীন বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতির সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জনাব এ এসএম জহির উদ্দিন আকন সাহেব বিট কর্মকর্তা আজাদুল কবির সাহেবের মাধ্যমে উচ্ছেদ করে জায়গাটি জবর দখলমুক্ত করেন, কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো এতদিন পরে বাউপাড়া বিট অফিসের বিট কর্মকর্তা জনাব শামসুদ্দিন সাহেব ও এফজি মনি হালদারের হস্তক্ষেপে জবরদখলমুক্ত জায়গাটি তে আবারো সেই ঘরটি প্রতিস্থাপন হয়।
এলাকার লোকজন বিট কর্মকর্তা শামসুদ্দিন সাহেব এর নিকট অভিযোগ করিলে সে কোন ব্যবস্থা তো নেইনি বরং উল্টো অভিযোগকারীকে শাশায় এমনকি সাংবাদিকদেরকে ও এলাকার ক্ষমতাধর বিএনপির লোক দিয়ে ফোনে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসে।
এলাকার লোকজনদের বন বিভাগের কাছে প্রশ্ন যেখানে ৫ এ আগষ্ট এর পর থেকে বিট কর্মকর্তা শামসুদ্দিন সাহেব অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন জায়গায় কাজ দিয়ে আসছেন তাহলে উনার খুঁটির জোর কোথায়?
জবরদখলমুক্ত জায়গাটি শামসুদ্দিন সাহেবের কার্যকাল সময়ে আবারো কিভাবে এত বড় ঘড়টি প্রতিস্থাপন হয়ে জবরদখল হয়ে যায়।
শুধু জায়গা জবরদখলই নয় জবরদখল এর সাথে সাথে গাছ কেটে নিয়ে যায় তারামিয়া এলাকার লোকজন বিট অফিসে ফোনে অভিযোগ করিলে বিট কর্মকর্তা তার সঙ্গীও স্টাফ মনি হালদার ও অন্যান্যদের সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছগুলো দেখতে পেয়েও জব্দ করেনি বা কেন তাহলে তারামিয়ার সাথে শামসুদ্দিন বিট কর্মকর্তার সম্পর্ক কি।